সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
সম্পাদকের কলমে,

কাল কী খাব জানিনা। শুধু আমি তুমি নই, সকলেই। প্রতিটি দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত আজ করোনাভাইরাসের এই মহামারির পাশাপাশি আরও বেশি শঙ্কিত এই ভেবে যে যদি বেঁচে থাকি, তবে কী খাব? পাশাপাশি উচ্চবিত্তের একটিই অবকাশ তার ভাঁড়ারের সুললিত সৌন্দর্য বৃদ্ধি, তাও আজ রাজনীতি থেকে সমাজনীতিতে কিছুই লুকোনোর নয় । তবু আমরা যারা এই বিচ্ছিন্নতার ভিতরেও স্মরণ করে চলেছি কালের দণ্ডিত নিয়মকে। স্মরণ করে চলেছি আমাদের পাপ-পুণ্য-লোভ-রিরংসা এবং পাশাপাশি আমাদের অন্ধ আনুগত্যের ইতিহাস... আমরা আবার খুঁজে নিতে চাইছি নতুন কোনো স্বপ্নকে।  তাই বিচ্ছিন্নতা যতো জোড়ালো হয়, এই ভাসমান হাওয়ার পাশেই আরও জোটবদ্ধ এক হাওয়া ধীর গতিতে বইতে শুরু করে। রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যের সৃষ্টি প্রবন্ধে সে কথাই যেন স্মরণ করেছিলেন, " বিচ্ছিন্নতা হইতে সংশ্লিষ্টতার জন্য আমাদের মনের ভিতরে একটা চেষ্টা যেন লাগিয়া আছে"। শুরু করি, যদি কিছু খুঁজে পাওয়া যায়...



                                                     অর্ণব চৌধুরী    

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আম্রপালি দে'র কবিতা  জলের মতন  ১ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দীর্ঘ হতে চলেছি কখনো প্রেমিকের আঙ্গুল মুঠিতে নিয়ে ঘুরি  কখনো বা পা ফাঁক করে শুয়ে পড়ি খবরের কাগজে ফোস্কার ভেতরে আজন্ম জল থৈথৈ করে, জল তো সামাজিক সঙ্গম আমি কি রটিয়ে দিতে পারি না জলের খবর? ২ আত্মমগ্নতা কাটিয়ে আরো একা হতে চাইছি চাইছি দেবীর মুখের দিকে সরাসরি তাকাতে দেবীর চোখ অপাপবিদ্ধতার আতঙ্কে  টনটন করে ওঠে  অদ্ভুত ভয়ে একরাতে তিনি পাথর হয়ে ওঠেন... ৩ অকৃতদারের মতো আশ্বিনের সাদা কাশ দেখি আমি, দেখি, একটি দুর্দান্ত লাশ রোজ পাশে হেঁটে যায়  আমি পাশ ফিরে অগ্রাহ্য করি ,  ঘুমের ভেতরে ঢুকে যাই নরকে, অথচ বুঝিনি এ আমারই আর্তনাদ, বাতানুকুল ঘরের স্যাঁতস্যাতে আত্মপ্রদীপ...
   " অন্ধকারে হাতে আসে হাত      কে তাকে ধরেছে অকস্মাৎ      কে সে? কথা বলো, কথা বলো।                 শব্দ নেই, শব্দ নেই কোনো                 শব্দ নেই, শব্দ নেই কোনো "                                              ( শক্তি চট্টোপাধ্যায়) ঋণ স্বীকার ও ব্লগজিনের সদস্য বন্ধুরা দীপঙ্কর বাগচী, প্রসূন মজুমদার, আনন্দী চট্টোপাধ্যায়, সৌভিক বসু ও অর্ণব চৌধুরী
দীপঙ্কর বাগচীর কবিতা paul gauguin  ঈশ্বর ও গাধার সংলাপ   সকল কাজের কাজ, ফেলে আসে আমাদের গাধা এ জীবন ঘূর্ণমান, এ জীবন বস্তুতঃই বাধা কে তবে ফিরেছে দূরে, সন্ধ্যা সূর্যে এতো রঙ করা বিষাক্ত বীজের ক্ষেত ছুঁয়ে আছে যেভাবে পাহারা এই রাত্রি নমাজের, এই রাত্রি প্রার্থনার ঘোরে উপাসনা ছাড়া কিছু, আছে নাকি দিনের অদূরে মানুষের মতো ঠোঁট, মানুষের মতো কেউ বসে আমার সমস্তবেলা কেটে যায় কীসের আবেশে ঋতুও যখন আসে ধস্ত হয়ে বিকারের প্রায় দূরে দূরে জ্বলে তারা, বালিকারা কোথায় হারায় দিনের ভিতরে দিন ডুবে গেলে গোলার্ধের পরে কে তবে এসেছ এই রাত্রিদিন এমন আষাঢ়ে এই রাত্রি নমাজের এই রাত্রি প্রার্থনার ঘোরে উপাসনা ছাড়া কিছু আছে নাকি দিনের অদূরে বাতাস কচুরিপানার দেশে, এসে গেছি অবশেষে ভাঙা বাড়িটার আলো বলেছিলে সব ভালো কোন পথে তোমাকে হারাই  আমার তো কিছু নাই , অন্ধকার বনে তাই একা একা ঘুরে গেছি সব কিছু মিছি মিছি বাতাসের দোলা লেগে ,এসেছে সবাই যতো ভাবি এলোমেলো ,কুয়াশায় কারা এলো ঝোড়ো হাওয়া বুকে নিয়ে এপাড়া ওপাড়া দিয়ে উড়ে যায় টিন ছাদ ,দেখো সাঁই সাঁই তুমি বলেছ...